পোস্টগুলি

গীতিকবিতা

গানের পাখি শ্যা ম ল  কু মা র  ম ন্ড ল  গানের পাখি উড়ে গেছে               বানীর ঝাঁপি নিয়ে  সুরগুলি দিকভ্রান্ত আমার                আশ্রয় হারিয়ে।। আমার এই গানের পাখি               ছন্দ দিতো তালে; কথার পিঠে বুনতো কথা               নিপুণ মায়াজালে। সেই মায়াতে জড়িয়ে যেতো               রাগরাগিনীর ঢেউ; আজকে তারা নিস্তরঙ্গ                সুর তোলে না কেউ। শব্দবিহীন গানের তরী                 যায় না ঘাট ছাড়িয়ে  সুরগুলি দিকভ্রান্ত আমার                  আশ্রয় হারিয়ে।। কথার ফাঁদে, সুরের ছাঁদে                 তৈরি হতো গান, কাটাছেঁড়ার বোঝাপড়ায়                  মিলতো প্রাণে প্রাণ। আজ বোঝাপড়া মিলিয়ে গেল                   কথায় পড়লো ইতি; সুরের পাখি পথ হারিয়ে                    উড়ছে ইতিউতি। কোনখানে ঠাঁই মিলবে সুরের                    একতারাটি নিয়ে  সুরগুলি দিকভ্রান্ত আমার                     আশ্রয় হারিয়ে।। মূল পাতায় যান 

কবিতা

ওখানে যেও না দু র্গা প দ ম ন্ড ল এখনো মানুষ যায় কেঁদুলির পউষ মেলায় সুবর্ণরেখার পারে বেলা-অবেলায়? হাঁটুজল ছুঁয়ে থাকে বালির কিনারা  সেইসব অভিমানী পলাতক গাছের ছায়ারা এখনো তোমাকে ডাকে            শীত নেমে এলে          হেমন্তের রঙহারা কুয়াশায়! নদীতে গোধূলি তখন আদিগন্ত জুড়ে; হয়তো তুমিই তখন গানের ওপারে। কে তোমার মনের মানুষ,           কে বাজায় হাতের দোতারা! ভুবনডাঙায় জাগে অসীম সাহারা। হেমলতা ছুঁয়ে আছে তোমার চোখের পাতা  এবং বিষাদমাখা কিছুটা মমতা, দু ফোঁটা চোখের জল রেখে যায় শেষ বরিষণ মেঘেরা যেমন।  দোতারায় রেখেছো আঙুল--- কোন্ সুরে গাও তুমি প্রেমময় উদাসী বাউল! ওখানে যেও না তুমি একা একা ভুবনডাঙায় পথরেখা মুছে গেছে, মনের মানুষ  যে সে নাই।। ('বাউল'-এর কবি শ্রদ্ধেয় রবীন আদককে) পরিচয় মা লা  চ্যা টা র্জ্জি ছেড়ে রাখা শাড়িটা তেমনি পড়ে আছে এখনও আলনাতে, ঘর সংসারের ব্যস্ততা নেই, অসমাপ্ত আশা নেই, সুন্দর করে সেজে গলা বাড়িয়ে ‘দ্যাখো তো কেমন লাগছে’ স্মিত হেসে বলা নেই, নিথর আমাকে এইবার নিয়ে যাওয়া হবে।  বাইরে মহাপ্রস্থানের গাড়ি, আবালবৃদ্ধবনিতার দল, বারোটা বাজে,  এবার আমাকে বিদায় দিতে হবে। ...