পোস্টগুলি

ভ্রমণকাহিনী লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভ্রমণকাহিনী

ছবি
এক গোবেচারার ভ্রমণ বেত্তান্ত তা প স দে                     (১)  -'এ বছরে লেবু খেয়েছো?' -' লেবু তো আমার প্রতিদিনই লাগে, লেবু ছাড়া আমার খাওয়াই হয় না।' ওদিকে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা। তারপর একটা বিরক্ত গলা ভেসে এলো ইথারে। -' তুমি কোন লেবু প্রতিদিন খাও?' -' ওমা, কেন? পাতিলেবু।' - ' আমারই ভুল। তোমার মতো পাতি লোক পাতিলেবু ছাড়া কি ভাববে? আমি কমলালেবুর কথা বলছিলাম। খেয়েছো কমলা?' - ' হুঁ, খেয়েছি।' - 'কোথাকার লেবু?' - 'কি যেন একটা বলেছিলো, মনে হয় ভাগলপুরের হবে।' - 'ভাগলপুরে কমলা হয় জীবনে প্রথম শুনলাম। নাগপুর হলেও বুঝতে পারতাম।' - ' তা হতে পারে। আমার ইতিহাস খুব খারাপ।' - 'লেবু কোথায় হয়, সেটা ইতিহাসে লেখা থাকে? ' - ' আমি আমার লেখাপড়ার ইতিহাসের কথা বলছিলাম।' - 'হুঁ, সেটা বলার দরকার নেই। মাথায় রাখো দার্জিলিং-এও কমলা হয় না ।' - ' যা বাবা, দার্জিলিং-ও হয় না। তাহলে হয় কোথায়?' - ' সিটং , কমলালেবুর উপত্যকা।' - ' সিটং। শীতে টং হয়ে থাকে বুঝি?' - 'ফালতু কথা কম বলো। যাবে নাকি?' ...

ভ্রমণকাহিনী

ছবি
পথে যেতে যেতে (পর্ব : ২) ড রো থী  দা শ  বি শ্বা স এলো থার্বো টি এস্টেট, পাহাড়ের ঢালে চা বাগান, গুডরিকের, ছন্দবদ্ধভাবে, বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ত্রিকোণ ঝুড়ি পিঠে বেঁধে রঙ বেরঙের পোশাক পরিহিতা দক্ষ মহিলা শ্রমিকেরা চা-এর দুটি পাতা একটি কুঁড়ি তুলছে,কুঞ্চিত ত্বক, নাকে তাদের কাঁচা সোনার নোলোক, হাতে দু'তিনটি করে  সাদা চুড়ি, শাখার বিকল্প যেন। এমন দৃশ্য দেখলেই "ধনরাজ তামাং" চলচ্চিত্রের ঐ দৃশ্যটির কথা মনে পড়ে যায় ... "টিপাই টিপাই, টিপাই টিপাই, টিপাই টিপাই রে ... ও ... দুটি পাতা একটি কুঁড়ি সবুজ বাগানে ..."এখানকার পাহাড়গুলো গোল গোল। উল্টোনো কচ্ছপের পিঠের মতো, কখনো মনে হলো পাহাড়টা ঠিক যেন উটের কুঁজের মতো। হ্যাঁ, এইবার মনে পড়েছে, এমন ভূমিরূপের ছবি তো ভূগোলবইএ পড়েছি, ঠিক যেন উল্টানো ডিমের ঝুড়ির মতো, এরকম ভূমিরূপকে তো ড্রামলিন বলে। হিমবাহের চলনের দ্বারা পাহাড় কর্তিত হয়ে ড্রামলিন তৈরী হয়। বহুযুগ আগে এসব অঞ্চল তাহলে হিমবাহ অধ্যুষিত ছিলো!!! দেখছি আর মুগ্ধ হচ্ছি। এমন দৃশ্য দেখলে গুনগুন করে মন। "পহাড়ো কো চঞ্চল, কিরণ চুমতী হ্যায়  হওয়া হর নদী কা বদন চুমতী হ্যায়  ইহা স...