পোস্টগুলি

মে, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছড়া

বাবুই কথা জ য় দা স তাল গাছেতে বাবুই পাখি নাচছে ঝুলে ঝুলে। হাওয়ার সাথে কথা বলে ছোট্ট ডানা তুলে। বৃষ্টি-ঝড়ে দুলতে থাকে  ছোট্ট পাখির বাসা।  তবুও উড়াল দিয়ে ওদের নীল আকাশে ভাসা । ছোট্ট বাসা, ছোট্ট আশা  কিচির-মিচির গান।  যুদ্ধ করে জীবন গড়ে প্রকৃতিরই প্রাণ। কিচির-মিচির কোথায় এখন  সুরে মধুর ঢেউ। কালের স্রোতে হারিয়ে গেল জানলো নাতো কেউ! এক বিকেল  সু স্মি তা ম ন্ড ল পা ই ক (মা লা) এক বিকেলে পড়ন্ত রোদ যতই তখন হাঁটি--- উঁচু নিচু অসমতল জমি শক্ত পোক্ত মাটি! এক বিকেলে পাখিরই ঝাঁক কিচির-মিচির ডাকে, হঠাৎ করে শব্দে ঝর ঝর শুকনো পাতা নাকে! তরুর ভিড়ে এঁকে বেঁকে কে যে বেয়ে আসে! বটবৃক্ষ দাঁড়িয়ে আছে বসতে বলে পাশে... পেছন থেকে কে যে এসে নাড়িয়ে দিলো কেশ! ঘুরে দেখি খেয়ালি বাতাস ছোটায় যে তার রেশ। এক বিকেলে কাঠবেড়ালি গাছে গাছে ঘোরে, এক বিকেলে শ্যামল শস্য যায় ফিরে যায় ঘরে। এক বিকেলে শুরুর বেলা বলতে ইতি টানে, অন্ধকার যে ঢুকলো কখন সমাপ্তি কি তার মানে? অভিশপ্ত  প্র ণ ব কু মা র ব সু  একটা বুড়ো— একটু মোটা  খাবার খেলেই দাঁতটা খোঁটা— সঙ্গে বুড়ি-থুড়থুড়ি  হাঁ করে বেশ গিলছে মুড়ি— দুজনে মিলে চেপেছে ট্রেনে  বাক্স-প্যা...

পরিচিতি ও পাঠ প্রতিক্রিয়া

কাব্যগ্রন্থ: অনুভবে তোমারে‐ কবি দুর্গাপদ মণ্ডল- পাঠ প্রতিক্রিয়া  ড রো থী দা শ বি শ্বা স সম্প্রতি হাতে এলো দাদা কবি দুর্গাপদ মন্ডল-এর পরিচয় প্রকাশন, আরামবাগ, হুগলী থেকে প্রকাশিত কবিতা সংগ্রহ "অনুভবে তোমাকে"--- উপহার হিসেবে। কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত অক্টোবর ২০২২-এ। প্রথমেই চোখ টানে আশিসকুমার চট্টোপাধ্যায়কৃত প্রচ্ছদটি। পৃষ্ঠার কাগজও খুব উন্নতমানের। কাব্যগ্রন্থটিতে কবিপরিচিতি লিখেছেন উনারই পুত্রবধূ নবনীতা মন্ডল। কাব্যগ্রন্থটি কবি তাঁর পুত্রবধূকেই উৎসর্গ করেছেন। কবিতার সংখ্যা ৬৮, সাত দশ বারো লাইনের কবিতা যেমন আছে, তেমনি ঊনপঞ্চাশ বা ছাপ্পান্ন লাইনের কবিতাও আছে। বইটির পেছনে, কভার পেজে শ্রদ্ধেয় কবির ছবিসহ সংক্ষিপ্ত কবিপরিচিতি লেখা। পড়ে মনে হলো- সাহিত্যসাধনার ক্ষেত্রে চরম আর্থিক প্রতিকূলতা কোনো বাধাই নয়। শুধু প্রয়োজন ভালোবেসে লিখে যাওয়া। তাঁর প্রধান পরিচয় তিনি একজন শিক্ষক। শব্দভান্ডার পরিপূর্ণ হয় আদর্শ ও ন্যায়ের পথে থেকে সহজ সরল জীবনচর্চায়, গভীর জীবনবোধের প্রকাশে। কবিতাগুলিতে কবির পরিশীলিত ভাবনা চিন্তন ও মননের প্রকাশ স্পষ্ট। দাদা নিজে হাতে কি সুন্দর একটা চিঠি লিখে দ...

পঞ্চম বর্ষ || দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ || হিমেল ও বাসন্তী সংখ্যা || ৮ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩ || ২৩ মে ২০২৬

ছবি
=সূচিপত্র= সম্পাদকীয় কবিতা ১৷ ওখানে যেও না- দুর্গাপদ মণ্ডল ২৷ পরিচয়- মালা চ্যাটার্জ্জি ৩৷ কিশোরী- শর্মিষ্ঠা মিত্র সেনগুপ্ত ৪৷ নিজ নিকেতনে চলো- দেবাশীষ সরখেল ৫৷ কিশলয়কাল- শর্মিষ্ঠা ৬৷ ঋতু হেমন্ত- তাপস কুমার পাল ৭৷ অবহেলিত প্রেম- রত্না দাস ৮৷ ঈপ্সিত- প্রগতি দে চৌধুরী ৯৷ হিমেল অসুখে করাল শীত- সুমিতা চৌধুরী ৯৷ ফাঁকতাল- স্বাতী ঘোষ ১০৷ হিমের রাতে- দেবযানী সেনগুপ্ত ১১৷ মেঘ বৃষ্টির কল্পনায়- শুভাশিস সাহু ১২৷ ভালোবাসার পারানি- প্রদীপ সেন ১৩৷ হেমন্তের চিঠি- শিবানী গুপ্ত ১৪৷ অন্ন- শ্রীধর ১৫৷ অপরূপা তিস্তা- বিকাশ গুঁই ১৬৷ একমুঠো রোদ- রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য ১৭৷ মায়াবী রেখা‐ মীনাক্ষী চক্রবর্তী সোম ১৮৷ ফেলে আসা ফাগুন- সুদীপ্তা পাল ১৯৷ হেমন্তের নিশিকাব্য- পারমিতা দাস চৌধুরী ২০৷ বর্ষার নির্মল জলে- রামমোহন বাগচী ২১৷ শ্রেষ্ঠ বিচারক- শ্যামল খাঁ ২২৷ আমরণ মনোহরণ- হেমন্ত সরখেল ২৩৷ আঁধারের কৃষ্ণ- রবীন্দ্রনাথ প্রধান ২৪৷ নিভে যাক যত আলো- পল্লব ভট্টাচার্য অনন্ত ২৫৷ তুমি আমায় ভুলেছো- সংঘমিত্রা ভট্টাচার্য ২৬৷ জানতে হবে একদিন- সুমা গোস্বামী ২৭৷ আমি কে?- বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ২৮৷ শীত আর আমার শহর- অন্তরা মন্ডল ২৯৷ বি...