যাত্রা তৈ মু র খা ন পার্থিব যাবে অপার্থিবের বাড়ি আমরা বৈরাগ্য চাইব যদি না ফেরে হলদে শাড়ি ক্ষতচিহ্ন ঢেকে চাঁদ উঠবে মৌসুমিকে কেউ ভোলেনি মৌসুমী যদিও ঋতু নয়,কিংশুক ফুলের মতো নারী ডেটল ভেজাচ্ছে তুলো আমরা তার গন্ধগুলো ভাগ করছি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসছে মৃত্যুগুলো ছুটি হল এই মুহূর্তে ছুটি হল নিরালোকে ছুটে যাচ্ছে নিপুণ হাওয়া গাড়ি ছুটছে যারা ক ল্পো ত্ত ম এই যে এতখানি পথ হেঁটে এসেছো সারি সারি আকাশের নিচে এরও এক বিদগ্ধ ইতিহাস রয়ে গেল খুরিদের চাপে। মিশে গেল পথের ধুলায়। আকাশ হাসছে। সূর্যের বিদায় বেলায় গাছেদের সারি হারিয়ে যায় ষষ্ঠপদী আঁধারে আঁধারে। ছুটে চলো উঁচিয়ে রেখে শিং অগুনতি নক্ষত্রের দিকে। যেদিন কবিতা আসে র বী ন্দ্র না থ প্র ধা ন যেদিন একটি কবিতা লিখতে পারি, সেদিন আকাশ ঝরায় অঝোরে বৃষ্টি, আমার পৃথিবী সেজে ওঠে রঙে রঙে। যেদিকে তাকাই সবকিছু ভালো লাগে। আমার কলম যেদিন কবিতা লেখে— অকাল বসন্তে পলাশের হাতছানি, প্রৌঢ় হৃদয়ে যৌবন মাদল বাজায়, কোকিল কাননে সারাদিন গান গায়। কী এমন জাদু শব্দের কথামালায়--- পলকের স্পর্শ সরায় বুকের চাপ, অনু...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন