পঞ্চম বর্ষ || দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ || হিমেল ও বাসন্তী সংখ্যা || ৮ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩ || ২৩ মে ২০২৬




















=সূচিপত্র=



সম্পাদকীয়

কবিতা

১৷ ওখানে যেও না- দুর্গাপদ মণ্ডল
২৷ পরিচয়- মালা চ্যাটার্জ্জি
৩৷ কিশোরী- শর্মিষ্ঠা মিত্র সেনগুপ্ত
৪৷ নিজ নিকেতনে চলো- দেবাশীষ সরখেল
৫৷ কিশলয়কাল- শর্মিষ্ঠা
৬৷ ঋতু হেমন্ত- তাপস কুমার পাল
৭৷ অবহেলিত প্রেম- রত্না দাস
৮৷ ঈপ্সিত- প্রগতি দে চৌধুরী
৯৷ হিমেল অসুখে করাল শীত- সুমিতা চৌধুরী
৯৷ ফাঁকতাল- স্বাতী ঘোষ
১০৷ হিমের রাতে- দেবযানী সেনগুপ্ত
১১৷ মেঘ বৃষ্টির কল্পনায়- শুভাশিস সাহু
১২৷ ভালোবাসার পারানি- প্রদীপ সেন
১৩৷ হেমন্তের চিঠি- শিবানী গুপ্ত
১৪৷ অন্ন- শ্রীধর
১৫৷ অপরূপা তিস্তা- বিকাশ গুঁই
১৬৷ একমুঠো রোদ- রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য
১৭৷ মায়াবী রেখা‐ মীনাক্ষী চক্রবর্তী সোম
১৮৷ ফেলে আসা ফাগুন- সুদীপ্তা পাল
১৯৷ হেমন্তের নিশিকাব্য- পারমিতা দাস চৌধুরী
২০৷ বর্ষার নির্মল জলে- রামমোহন বাগচী
২১৷ শ্রেষ্ঠ বিচারক- শ্যামল খাঁ
২২৷ আমরণ মনোহরণ- হেমন্ত সরখেল
২৩৷ আঁধারের কৃষ্ণ- রবীন্দ্রনাথ প্রধান
২৪৷ নিভে যাক যত আলো- পল্লব ভট্টাচার্য অনন্ত
২৫৷ তুমি আমায় ভুলেছো- সংঘমিত্রা ভট্টাচার্য
২৬৷ জানতে হবে একদিন- সুমা গোস্বামী
২৭৷ আমি কে?- বিদ্যুৎ চক্রবর্তী
২৮৷ শীত আর আমার শহর- অন্তরা মন্ডল
২৯৷ বিমর্ষতা- রঞ্জিতা চক্রবর্তী
৩০৷ একটা নিজের মানুষ চাই- সুস্মিতা দাস
৩১৷ পদ্মজন্ম- দীপ্র দাসচৌধুরী
৩২৷ টেলিফোন- সারদা চক্রবর্তী
৩৩৷ শীতের চাদর- বীথিকা ভট্টাচার্য
৩৪৷ একদিন হঠাৎ- নীলাঞ্জনা ভৌমিক
৩৫৷ অধিবাস- সুপায়ণ দাস
৩৬৷ হাভাতেদের কষ্ট ভাবি- নূপুর রায়
৩৭৷ শৈত্য প্রবাহ- ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী
৩৮৷ দৃশ্যপট- শাশ্বত ভট্টাচার্য
৩৯৷ নগ্ন সুরের বাগানে নির্ভার আউল- অসীম দাস
৪০৷ বেঁচে থাকার গান- পূজা গুপ্ত
৪১৷ এভাবেই বাঁচব- মধুমিতা ধর
৪২৷ রোজনামচার প্রতিদিন- জয়িতা চক্রবর্তী আচার্য
৪৩৷ ভালোবাসা- শমিতা ভট্টাচার্য
৪৪৷ এই শীতে- সোমা দত্ত
৪৫৷ নির্বাক পুরুষ- দেবযানী ঘোষাল
৪৬৷ শিষ্টাচার- উপমা বেগম
৪৭৷ হিমেল হাওয়া- অন্নপূর্ণা দাস
৪৮৷ আঁচল- আরতি ধর
৪৯৷ যাপন- সন্দীপ রায় নীল
৫০৷ বোবা মানুষ- সন্দীপন গুপ্ত
৫১৷ পরিতৃপ্তি- ঋষিরাজ মোহন্ত
৫২৷ কোনটা ঠিক- সন্দীপ কুমার মিত্র
৫৩৷ আলো-ছায়ার বিজয়- অভিজিৎ শেঠ
৫৪৷ ভ্রম নাকি বিষণ্ণতা- সৈকত দাম
৫৫৷ বিকলাঙ্গ- গীতশ্রী সিনহা
৫৬৷ ছাই ও রক্ত- অভিজিৎ বিশ্বাস
৫৭৷ হে পুণ্যশীলা- কোয়েল তালুকদার
৫৮৷ সামাজিক মস্তিষ্ক- সূর্য নারায়ণ ঘোষ
৫৯৷ পাখিবাজার- পায়েল দেব
৬০৷ ভালোবাসা- টুলা সরকার
৬১৷ অজুহাতের অজুহাতে- মঙ্গলা দত্ত রিমি
৬২৷ আমিও তোমার মত নিঃসন্তান হয়েছি এখন- অভিজিৎ ঘোষ
৬৩৷ ভালোবাসার রঙ- পিন্টু হাটি
৬৪৷ আগের মুহূর্তে- চান্দ্রেয়ী দেব
৬৫৷ শীত বড় ভয়ঙ্কর- জুঁই রায়
৬৬৷ জলপাইগুড়ি- ভবেশ দাস
৬৭৷ সম্পর্ক- উজ্জ্বল চক্রবর্তী
৬৮৷ ত্রুটি- শান্তা ভৌমিক
৬৯৷ প্রকৃতি ও আমি- তপন মন্ডল
৭০৷ শিকল খুলে- কবিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
৭১৷ আত্মদহ- রাজন্যা ভৌমিক
৭২৷ মানবতা প্রশ্নের মুখে- অরুণিমা চ্যাটার্জী
৭৩৷ শুরুর দিকে- সংহিতা ভৌমিক
৭৪৷ অবজ্ঞা- তিতীর্ষা জোয়ারদার
৭৫৷ বেতগারা- জয়তোষ ঘোষ
৭৬৷ কান্না শুনতে পাবে- গৌরাঙ্গ সুন্দর পাত্র
৭৭৷ অভিমান- চৈতালি ধর মল্লিক
৭৮৷ জীবনানন্দ- বিমান বিশ্বাস
৭৯৷ পরিবর্তন- দেবাঙ্গনা চৌধুরী
৮০৷ মায়ের জীবন ফলার- অরবিন্দ সরকার
৮১৷ নতুন ধান- সোমদত্তা
৮২৷ পড়ন্ত বিকেলে যায় চেনা- তনুশ্রী মণ্ডল
৮৩৷ তারা খসার আলোয়- তীর্থঙ্কর সুমিত
৮৪৷ গণতন্ত্রের কবর- স্বাতী রায় চৌধুরী
৮৫৷ হেমন্ত- শিখা দত্ত
৮৬৷ আকাশের আয়নায়- তুষার ভট্টাচার্য
৮৭৷ মাঝে মাঝে- প্রতীক মিত্র
৮৮৷ মান্দাস- লাবণী পাল
৮৯৷ জীবন বদলে গেছে- চন্দন দাশগুপ্ত
৯০৷ ভাগ্যের পরিহাস- মহম্মদ আব্দুল রহমান
৯১৷ দীঘি- তাপস মাইতি
৯২৷ বসন্ত- সায়ন্তন ঘোষ
৯৩৷ কথা ছিল- পূর্বা দাস
৯৪৷ ঠিক কতটা?- দিশা পালনদার
৯৫৷ হিম- লালন চাঁদ
৯৬৷ জলে আমার মুখ দেখি- অনন্ত রায়
৯৭৷ প্রশ্নমালা- প্রদীপ শর্মা সরকার
৯৮৷ আঁধার যাপন- জবা ভট্টাচার্য
৯৯৷ লাশ- নির্মাল্য ঘোষ
১০৯৷ মাতা পুত্রের কথা- সুতপা চক্রবর্তী
১১০৷ তুমি- উপমন্যু মুখার্জি
১১১৷ নিঃসঙ্গ দুটি হাত- দীপঙ্কর রায়
১১২৷ দীপ- শম্পা সামন্ত
১১৩৷ কষ্ট- শম্পা সামন্ত
১১৪৷ দামোদর মাস- অনিন্দিতা নাথ
১১৫৷ বারাণসী- অনিন্দিতা নাথ
১১৬৷ অযোধ্যা- ১৩- কল্পোত্তম
১১৭৷ অযোধ্যা- ১৪- কল্পোত্তম
১১৮৷ শীতে লেখা চিঠি- তৈমুর খান
১১৯৷ স্বাগত- তৈমুর খান
১২০৷ কোথাও আছে কি কেউ- উত্তম কুমার দাস
১২১৷ পচন ধরেছে সমাজের বুকে- উত্তম কুমার দাস
১২২৷ চাঁদ- পম্পি তালুকদার
১২৩৷ স্ট্রিট লাইট- পম্পি তালুকদার
১২৪৷ রক্তভেজা ফুলের পাপড়ি- আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল
১২৫৷ তুমি নেবুলার ছায়া- আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল
১২৬৷ অযাচিত ব্যবধান- বিবেকানন্দ নস্কর
১২৭৷ পরম প্রাপ্তি- বিবেকানন্দ নস্কর
১২৮৷ হারিয়ে যাওয়া- বিক্রম মণ্ডল
১২৯৷ এক আকাশের নীচে- বিক্রম মণ্ডল
১৩০৷ পৌষ সংক্রান্তি- দেবযানী দাস
১৩১৷ তুমি সব পারো- দেবযানী দাস
১৩২৷ আনন্দ আশ্রম- নবকুমার মাইতি
১৩৩৷ অনন্ত আলো- নবকুমার মাইতি
১৩৪৷ মাটি আর শেকড়ের গল্প- নবকুমার মাইতি
১৩৫৷ উপপাদ্য- চিরঞ্জীব হালদার
১৩৬৷ কবিতাগুচ্ছ- দেবাঙ্গনা ঘোষ
১৩৭৷ কবিতাগুচ্ছ- বিধান দত্ত 
১৩৮৷ দূর পাল্লা- কিরণ
১৩৯৷ কবিতাগুচ্ছ- সুশান্ত সেন
১৪০৷ কবিতাগুচ্ছ- শুভশ্রী রায়


ছড়া

১৷ বাবুই কথা- জয় দাস
২৷ এক বিকেল- সুস্মিতা মণ্ডল পাইক (মালা)
৩৷ অভিশপ্ত- প্রণব কুমার বসু
৪৷ চিত্রপট- তুহিন কুমার চন্দ
৫৷ নীলাম্বরম্ কণকাম্বরম্- সায়ন্তন ধর


পুস্তক পরিচিতি ও পাঠ প্রতিক্রিয়া

কাব্যগ্রন্থ : অনুভবে তোমারে- কবি দুর্গাপদ মণ্ডল- পাঠ প্রতিক্রিয়া- ডরোথী দাশ বিশ্বাস


=====================================
উপদেষ্টামণ্ডলী: সুজিত মুখোপাধ্যায়, পাভেল ঘোষ, গীতশ্রী সিনহা, ছন্দা চট্টোপাধ্যায়, মণিকা বিশ্বাস কর্মকার, সত্যজিৎ কর, সোনালী মন্ডল আইচ, শুভ্রা দাশগুপ্ত, শঙ্খশুভ্র পাত্র।
সম্পাদক: ডরোথী দাশ বিশ্বাস
সহ সম্পাদক: সুনৃতা রায় চৌধুরী
প্রচ্ছদ: কবি দুর্গাপদ মণ্ডল (ছবি সৌজন্যে: গণনাট্য শিল্পী ও সুরকার শ্যামল কুমার মণ্ডল)
কারিগরী ও শিল্পনির্দেশক: উত্তম মাহাত
=====================================

সম্পাদকীয়

সদ্য প্রয়াত কবি দুর্গাপদ মণ্ডলকে স্মরণ করে একটি সম্পাদকীয় শোকবার্তা—

পার্থিব জগৎ ছেড়ে চলে গেলেন কবি ও গীতিকার দুর্গাপদ মণ্ডল। ৩০ এপ্রিল, ২০২৬— এই তারিখটি শুধু একটি মানুষের প্রস্থান নয়, আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যজগতের এক জ্ঞানজ্যোতি বিচ্ছুরিত আলোকস্তম্ভের অকস্মাৎ নিভে যাওয়ার দিন।

হুগলী জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে চল্লিশের দশকের মাঝামঝি সময়ে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি জীবনকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। দারিদ্র্য ছিল তাঁর শৈশবের সহচর, সংগ্রাম ছিল তাঁর যৌবনের প্রথম পাঠ। সেই কারণেই কুড়ি-বাইশ বছর বয়স থেকেই তিনি ছাত্র পড়াতে শুরু করেন। পরে আরামবাগ শহরের একটি মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা তাঁর কর্মজীবনের প্রধান পরিচয় হয়ে ওঠে। বাংলা ও অঙ্ক— এই দুই বিষয়ই ছিল তাঁর প্রিয়। সাহিত্য ও বিজ্ঞানমনস্কতার এই দুর্লভ সমন্বয় তাঁর ব্যক্তিত্বকে দিয়েছিল এক অনন্য মাত্রা।

তিনি শুধু শিক্ষক ছিলেন না, ছিলেন এক নির্মাতা। তাঁর অসংখ্য ছাত্র আজ নানা প্রান্তে প্রতিষ্ঠিত— তাঁদের সাফল্যের অন্তরালে থেকে গেছে এক নিবেদিত শিক্ষক হৃদয়ের নিরলস শ্রম। তিনি জানতেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যসূচি নয়, মানুষের ভিত গড়ে দেওয়ার শিল্প।

মাত্র সতেরো বছর বয়স থেকেই তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই জাতকবি। শব্দ যেন তাঁর কাছে নিজে থেকেই এসে আশ্রয় নিত। হুগলীর গণনাট্যসংঘের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি সংস্কৃতির সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও আত্মস্থ করেছিলেন। ১৯৮৪ সাল থেকে আমৃত্যু প্রায় চার দশক ধরে তিনি সহজ, সাবলীল শব্দে, সুললিত ছন্দে অসংখ্য গীতিকবিতা রচনা করেছেন। গণনাট্যসংঘের সাথে যুক্ত বহু গুণী সুরকার তাঁর গীতিকবিতায় সুরারোপ করে মানুষের কাছে তাঁর জীবনের অসাধারণ অভিব্যক্তিকে পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর কবিতায় ছিল সময়ের স্পন্দন, মানুষের দুঃখসুখ, সমাজের নাড়ির স্পর্শ, আবার একই সঙ্গে ছিল এক গভীর ব্যক্তিমানসের অন্তর্লোক। সমকালীন হয়েও তাঁর প্রকাশভঙ্গি এমন স্বতন্ত্র ছিল যে তা কালোত্তীর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি নিজেই একবার লিখেছিলেন— “কবিতায়, গীতিকবিতায় মনে হয় যেন পেরিয়ে এলেম অন্তবিহীন পথ…”। সত্যিই, তিনি যেন সেই অন্তহীন পথের পথিক ছিলেন— শব্দে, চিন্তায়, মানবিকতায়।

আজ তাঁর অনুপস্থিতি গভীর শূন্যতা হয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তবু কবিরা কি কখনও পুরোপুরি চলে যান? তাঁরা থেকে যান তাঁদের উচ্চারণে, তাঁদের ছাত্রদের স্মৃতিতে, তাঁদের লেখা পংক্তির ভেতরে, আর মানুষের মমতাভরা স্মরণে। আমরা উনার অকস্মাৎ প্রয়াণে শোকস্তব্ধ, ভীষণভাবে মর্মাহত। 

রানারের এই সংখ্যায় কবি দুর্গাপদ মণ্ডলের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করছি। তাঁরই স্মরণে রানারের এই সংখ্যাটিকে শুধুমাত্র কবিতা ও ছড়ায় সাজানো হলো। তাঁর জীবন, তাঁর সাহিত্য, তাঁর শিক্ষকসত্তা আগামী প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

শ্রদ্ধায়, স্মরণে—

ডরোথী দাশ বিশ্বাস

                                                


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পঞ্চম বর্ষ || প্রথম ওয়েব সংস্করণ || শারদ সংখ্যা || ১১ কার্তিক ১৪৩২ || ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চতুর্থ বর্ষ || চতুর্থ ওয়েব সংস্করণ || বাদল সংখ্যা || ১২ শ্রাবণ ১৪৩২ || ২৯ জুলাই ২০২৫

কবিতা