চতুর্থ বর্ষ || দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়েব সংস্করণ || হিমেল ও বাসন্তী সংখ্যা || ৯ চৈত্র ১৪৩১ || ২৩ মার্চ ২০২৫
=সূচিপত্র=
সম্পাদকীয়
পত্রসাহিত্য
১। আছে যে সংগোপনে- মালা চ্যাটার্জ্জি
২৷ মনের কথা- পাপিয়া গোস্বামী
প্রবন্ধ
১৷ কার্ল মার্কস ও ভারতবর্ষ- চন্দন দাশগুপ্ত
২৷ বিবর্তনবাদ ও প্রাণের উৎপত্তিতে পুরাণের গ্রহণযোগ্যতা আদৌ কতটা- শাশ্বত বোস
৩৷ এক অদ্ভুত শিল্পী: রামকিঙ্কর বেইজ- সুজাতা দাস
৪৷ সম্পর্ক- সঙ্ঘমিত্রা ব্যানার্জি
৫৷ মেরিলিন বোবস লিওন (কিউবার কবি, ঔপন্যাসিক, সমালোচক ও সম্পাদক)- শংকর ব্রহ্ম
সাহিত্য সমালোচনা
১৷ "নিঃশব্দে কারা যেন পুকুরঘাটে লিখে রাখে বিরহ-চিহ্ন...।" ডুবসাঁতার- বিদ্যুৎ চক্রবর্ত্তী
২৷ কবিতারা কথা রেখেছে- উত্তম কুমার দাস
গল্প
১৷ স্মৃতির চেয়ে বিস্মৃতি ভালো- অসীম পাঠক
২৷ অনিবার্য- জবা ভট্টাচার্য
৩৷ গুরুংবুড়ো ও হীরার হোটেল- শান্তময় গোস্বামী
৪৷ বিক্রেতা- তড়িৎ চক্রবর্ত্তী
৫৷ সম্পর্ক- মঞ্জিরা ঘোষ
৬৷ বউ যদি...- তাপস পাল
৭৷ গোধূলি বেলা- মীনাক্ষী চক্রবর্ত্তী সোম
৮৷ ভালো থাকা- কাজী নুদরত হোসেন
৯৷ ঈশানীমেঘ- নন্দিতা সোম
১০৷ নবাবপুরের ওয়েটিং রুম- দেবযানী সেনগুপ্ত
১১৷ ভোরের শুকতারা- অনসূয়া পাঠক
১২৷ ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি- রুমানা সোবহান পরাগ
১৩৷ সেতুবন্ধন- কাবেরী রায় চৌধুরী
১৪৷ অবলা অনুভূতি- দীপঙ্কর নায়েক (শ্রী দ্বৈপায়ন)
১৫৷ স্যালুট- প্রশান্ত ঠাকুর
১৬৷ অজানা শারদীয়া- শিঞ্জিনী চ্যাটার্জী
১৭৷ আমি যুধিষ্ঠির- দেবব্রত রায়
১৮৷ সিস্টার নীরজা কথা- মিঠুন মুখার্জী
১৯৷ পরিবর্তন- মমতা শঙ্কর সিনহা (পালোধী)
অণুগল্প
১৷ গল্প নয়- ভার্গবী
২৷ রণ- সুদীপ ঘোষাল
৩৷ প্রাক্তন- মেখলা ঘোষ দস্তিদার
৪৷ বন্ধু- রমেশ দে
৫৷ টীকের টিকে থাকা- সুনৃতা রায় চৌধুরী
৬৷ একটি সংক্ষিপ্ত প্রেমের গল্প- পারমিতা দাস চৌধুরী
৭৷ উপ-সংহার- মৈত্রেয়ী সেনগুপ্ত
কবিতা
১৷ দুর্ঘটনা- বিমান বিশ্বাস
২৷ এবার উৎসবে- মিষ্টিবৃষ্টি
৩৷ আমি- রত্না দাস
৪৷ ভালোবাসা তবু আজ ব্যর্থতার পরিহাস- শুভাশিস সাহু
৫৷ দাগ কেটে যাও- অরুণিমা চ্যাটার্জী
৬৷ সেই গাছটা- কৌশিকী ঘোষাল
৭৷ তোমার জন্য কষ্ট হয়- প্রদীপ সেন
৮৷ শীতের দিন- অনিন্দিতা নাথ
৯৷ জীবন-তরী- দিলীপ কুমার মধু
১০৷ লহ প্রণাম- সুস্মিতা মণ্ডল পাইক (মালা)
১১৷ নেশা- নূপুর রায় রিনঝিন
১২৷ চাঁদ দেখিনা তোমায় আমি- হীরামন রায়
১৩৷ আবার সেই অসম্ভবের আশা- আজীমি
১৪৷ ভালো আছি- পঙ্কজ মান্না
১৫৷ আত্মার শান্তি- সরবত আলি মণ্ডল
১৬৷ নন্দিনী কথা- প্রদীপ বসু
১৭৷ সার্থক- শ্রীধর
১৮৷ লোকজীবন- দেবাশীষ সরখেল
১৯৷ অভিমানের ইতিকথা- চম্পা নাগ
২০৷ হাতছানি দেয় বারবার- ইলা সূত্রধর
২১৷ ভালো থেকো- ছোটন গুপ্ত
২২৷ হেমন্ত- ডঃ শিখা দত্ত
২৩৷ আমরা সবাই মানুষ- উপমা বেগম
২৪৷ গোধূলি রঙ- প্রগতি দে চৌধুরী
২৫৷ হিমেল হাওয়া- অন্নপূর্ণা দাস
২৬৷ ডিসেম্বর- ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী
২৭৷ ধোঁয়াশা- লিপিকা ডি'কস্টা মণ্ডল
২৮৷ ছন্দপতন- বিদিশা ব্যানার্জী
২৯৷ শীতের হাওয়ায়- বীথিকা ভট্টাচার্য
৩০৷ পৌষের ছায়াঘেরা বারান্দায়- সংঘমিত্রা ভট্টাচার্য
৩১৷ ফসিল- শম্পা সামন্ত
৩২৷ সঙ্গী নক্ষত্রেরা- রত্না সেন
৩৩৷ মনের ঈশ্বর- প্রশান্ত কর
৩৪৷ ধাঁধাঁ- পলাশ বিশ্বাস
৩৫৷ নতুন ছন্দ- দীপিকা দে ভৌমিক
৩৬৷ সফলতা- সরমা দেবদত্ত
৩৭৷ এবং আমি- রঞ্জনা বিশ্বাস
৩৮৷ ধ্রুবক- সন্দীপন গুপ্ত
৩৯৷ কিশোরীর প্রেম- কাবেরী রায় চৌধুরী
৪০৷ কাল রাতে- কবিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
৪১৷ আরাধ্য- ঊষা গরাই
৪২৷ অপরূপ- উদয় ভানু চক্রবর্ত্তী
৪৩৷ আংশিক সময়ের পাশে- দীপঙ্কর সরকার
৪৪৷ ফাইল হারিয়ে যায়- অজিত কুমার জানা
৪৫৷ একা থাকা যায় না- শর্মিষ্ঠা মিত্র পাল চৌধুরী
৪৬৷ দিনবদলের চলছে খেলা- অজিত চৌধুরী
৪৭৷ সোনারপুর জংশন- তাপস মাইতি
৪৮৷ শীতের প্রহর- আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল
৪৯৷ আমার ছড়া পাখি- বদরুল বোরহান
৫০৷ হেমন্তের শীতলতায়- বর্ণালী মুখার্জী
৫১৷ পিছুটান- পল্লব সেনগুপ্ত
৫২৷ ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি- দেবযানী দাস
৫৩৷ ফেরত- পল্লব ভট্টাচার্য অনন্ত
৫৪৷ অনাসৃষ্টি- পূর্বা মাইতি
৫৫৷ পরিযায়ী- শর্মিষ্ঠা সেন
৫৬৷ কুয়াশারা কিছু বলে- সংহিতা ভৌমিক
৫৭৷ কেউ একদিন- জ্যোতির্ময় মুখোপাধ্যায়
৫৮৷ বস্তুত- সোনালি মন্ডল আইচ
৫৯৷ শীত- সোমপ্রভা বন্দ্যোপাধ্যায়
৬০৷ অবরোহন- ছন্দা চট্টোপাধ্যায়
৬১৷ দাম্পত্যের ভিতর হঠাৎ শীতকাল- সজলকুমার টিকাদার
৬২৷ বডি লোশন- সৈকত দাম
৬৩৷ ক্যানভাস- উত্তম দত্ত
৬৪৷ ক্ষত- অভিজিৎ শেঠ
৬৫৷ পশম- দীপ্র দাস চৌধুরী
৬৬৷ সেপ্টেম্বরে- আল্পি বিশ্বাস
৬৭। ভেতরপুরের যা কিছু থাক না গহিনে- পরাণ মাঝি
৬৮। নিখোঁজ- দেবযানী ঘোষাল
৬৯৷ দুর্বলতা- দেবযানী ঘোষাল
৭০৷ অলীক স্টেশনে- দুর্গাপদ মণ্ডল
৭১৷ অসুখ- দুর্গাপদ মণ্ডল
৭২৷ দুঃসহ সময়- টুলা সরকার
৭৩৷ নিঃশব্দ চারিদিক- টুলা সরকার
৭৪৷ কবিতার পাড়া- উপমন্যু মুখার্জী
৭৫৷ স্বর্গ- উপমন্যু মুখার্জী
৭৬৷ মৃত্যুর কালো চোখ- রথীন পার্থ মণ্ডল
৭৭৷ তোমার ইচ্ছেগুলো- রথীন পার্থ মণ্ডল
৭৮৷ যোগীর ফসল- শুভশ্রী রায়
৭৯৷ সোয়েটার- শুভশ্রী রায়
৮০৷ শীতকাল- অভিজিৎ দত্ত
৮১৷ বড়দিন- অভিজিৎ দত্ত
৮২৷ আলেয়া- পূজা গুপ্তা
৮৩৷ দিনযাপনের রোজনামচা- পূজা গুপ্তা
৮৪৷ দুটি এক পংক্তির কবিতা- সুশান্ত নন্দী
৮৫৷ কবিতাগুচ্ছ- আরতি ধর
৮৬৷ কবিতাগুচ্ছ- নবকুমার মাইতি
৮৭৷ কবিতাগুচ্ছ- অর্ণব সামন্ত
৮৮৷ কবিতাগুচ্ছ- অশোক কুমার দত্ত
৮৯৷ কবিতাগুচ্ছ- সুশান্ত সেন
৯০৷ কবিতাগুচ্ছ- শিখা নাথ
৯১৷ কবিতাগুচ্ছ- অসীম দাস
৯২৷ কবিতাগুচ্ছ- সুমিতা চৌধুরী
৯৩৷ কবিতাগুচ্ছ- লালনচাঁদ
৯৪৷ কবিতার অন্বেষণে (৭১-৭৬)- পলাশ বিশ্বাস
৯৫৷ কবিতাগুচ্ছ- শাশ্বত ভট্টাচার্য
৯৬৷ ভেতরপুরের যা কিছু থাকনা গহিনে- পরাণ মাঝি
ছড়া
১৷ শীতের ছানা- সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়
২৷ শীত নেমেছে শীতলপুরে- তুহিন কুমার চন্দ
৩৷ মানবতা- অরুণ দাশ
৪৷ শীতের দুটি মাস- গোবিন্দ মোদক
৫৷ ছড়া- স্বপন কুমার পাহাড়ী
৬৷ শীত-সবজি- সুব্রত দাস
৭৷ বাঙালির শীত- বিশ্বরূপা ব্যানার্জী
৮৷ আর্যার হাজারো প্রশ্ন- শিবানী চৌধুরী
৯৷ হিমেল শিশির- বিবেকানন্দ নস্কর
১০৷ ইকির মিকির চামর চিকির- সায়ন্তন ধর
শ্রুতি অভিনয়
১৷ শিবরাত্রির সলতে- গীতশ্রী সিনহা
ভ্রমণ কাহিনী
১৷ সুন্দরী টুমলিং- কল্পনা রায়
স্মৃতিকথা
১৷ এক শীতের সকাল ও আমার মা- মোয়াল্লেম নাইয়া
২। শৈশবে গাজন মেলা- বৃন্দাবন ঘোষ
৩৷ আমার শহরে পৌষের গুনগুন- মধুপর্ণা বসু
৪৷ কলাপাতায় বেগুনভাজা- সুমা গোস্বামী
রেসিপি
১৷ ক্রীসমাস কেক- লিপিকা ডি'কস্টা মণ্ডল
চিত্রশিল্প
১৷ চিত্রশিল্পী- সংহিতা ভৌমিক
২৷ চিত্রশিল্পী- বিপাশা মজুমদার
৩৷ চিত্রশিল্পী- তৌফিকুর রহমান
৪৷ চিত্রশিল্পী- দেবোময় চন্দ
৫৷ চিত্রশিল্পী- সুদেষ্ণা দেবনাথ
=====================================
উপদেষ্টামণ্ডলী: সুজিত মুখোপাধ্যায়, পাভেল ঘোষ, গীতশ্রী সিনহা, ছন্দা চট্টোপাধ্যায়, মণিকা বিশ্বাস কর্মকার, সত্যজিৎ কর, সোনালী মন্ডল আইচ, শুভ্রা দাশগুপ্ত, শঙ্খশুভ্র পাত্র।
সম্পাদক: ডরোথী দাশ বিশ্বাস
সহ সম্পাদক: সুনৃতা রায় চৌধুরী
প্রচ্ছদ: সায়ন্তন ধর
কারিগরী ও শিল্পনির্দেশক: উত্তম মাহাত
=====================================
সম্পাদকীয়
কর্মই জীবনের ছন্দ, এগিয়ে চলার আনন্দ
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, "মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই.."... সত্যিই এই পৃথিবীকে প্রাণ ভরে দেখার সাধ চিরন্তন। এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থেকে জীবনের স্বপ্নগুলোকে পূরণ করাই হয় তো জীবনের মানে। জীবন মানেই যে এগিয়ে চলা, কর্মের মাধ্যমেই যে রচিত হয় সে চলার ছন্দ। সবসময় সে পথ যে কুসুমাস্তীর্ণ হবে, এমন মনে করাটাই বাতুলতা। বন্ধুর কাঁকরপূর্ণ পথে চলার জন্যও মানসিক প্রস্তুতি প্রয়োজন। কঠিন সময়ের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার দৃঢ়তা অর্জন করতেই হবে। নইলে কঠিন পরিস্থিতিকে আয়ত্বে আনা যে আরও কঠিন হয়ে পড়বে। প্রকৃত শিক্ষা পিছু হটতে শেখায় না, বরং চ্যালেঞ্জ নিয়ে জীবনে বেঁচে থাকার চেষ্টায় আছে আত্মসন্তুষ্টি। মুক্ত জ্ঞান, প্রকৃত ভালোবাসা ( যা শুধু কথায় নয়, কর্মে প্রতিফলিত) ও সদর্থক চিন্তার অধিকারী করে তুলতে হবে নিজেকে। নিজের আলোকিত চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিতে হবে পারিপার্শ্বিক সকলের মাঝে। শরিক হতে হবে অপরের দুঃখের। তখনই উপলব্ধি করতে পারা যাবে, এই উজ্জ্বল পৃথিবী সকল সৌন্দর্য, রূপ-রস-গন্ধ-স্পর্শ নিয়ে তোমার আমার সকলের জন্য ক্রোড় পেতে রেখেছে। "প্রাণ"- সৃষ্টির আদি রহস্য "যোগ্যতমের উদ্বর্তন" কথাটির সাথেও আমরা পরিচিত। জীবনে বেঁচে থাকাটাই তাই একটা Art ... স্ব স্ব ক্ষেত্রে সাফল্যমন্ডিত হোক প্রতিটি জীবন। সব শেষে প্রাকৃতিক নিয়মে সকলকেই যে বিদায় নিতে হবে, তখন যেন " মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান ..." বলেই মেনে নিতে পারি জীবনের অনিবার্য পরিণতিকে ...। তাই জীবন সুন্দর করতে আলোকিত করো মন, আশা করো রোপণ, স্বপ্ন করো বপন। কর্মে চেতনায় চিন্তনে মননে সাফল্যমণ্ডিত হোক যাপনকাল। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি ঘটুক--- রানারের সাহিত্যসেবী ও পাঠকবর্গের জন্য রইলো শুভ কামনা।
পত্রসাহিত্য পড়ুন
প্রবন্ধ পড়ুন
গল্প পড়ুন
অণুগল্প পড়ুন
কবিতা পড়ুন
ছড়া পড়ুন
শ্রুতি অভিনয় পড়ুন
ভ্রমণ কাহিনী পড়ুন
স্মৃতিকথা পড়ুন
রেসিপি শিখুন
চিত্রশিল্প দেখুন
_____________________________________________
খুব সুন্দর হয়েছে। সর রকমের লেখা ঠাঁই নিয়েছে,নিজ গুনে,সার্বিক ভাবে,সাফল্য অর্জন করে উত্তরোত্তর শ্রী বৃদ্ধি হোক এই আশা রাখি।
উত্তরমুছুনধন্যবাদ আন্তরিকভাবে🙏
মুছুনবাহ খুব সুন্দর।
উত্তরমুছুনভালো থাকুন, সাথে থাকুন🙏
মুছুনখুব সুন্দর, অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন
উত্তরমুছুন